২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কেন হঠাৎ পাম্পে তীব্র তেল সংকট? আসল কারণ জানালেন পাম্প মালিকরা

২৩ মার্চ ২০২৬

সারাদেশের পেট্রল পাম্পগুলোতে চলমান তেল সংকটের নেপথ্যে ঈদের ছুটি ও ব্যাংক বন্ধ থাকাকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যাংক বন্ধ থাকায় প্রয়োজনীয় ‘পে-অর্ডার’ করতে না পারায় ডিপো থেকে তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছে না।

সংকটের মূল কারণ: পে-অর্ডার জটিলতা অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পে-অর্ডার ছাড়া ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হয় না। ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরা নতুন করে পে-অর্ডার করতে পারছেন না। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় এই সাময়িক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার ব্যাংক খুললে পুনরায় পে-অর্ডার করা সম্ভব হবে এবং এর পরপরই সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেশনিং পদ্ধতি ও বর্তমান পরিস্থিতি পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি বিক্রিতে যে রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল, ১৫ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। তবে রেশনিং তুলে নেওয়ার পরপরই ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে বরং আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় অনেক পাম্পেই এখন তেলের মজুত শেষ পর্যায়ে।

দেশজুড়ে পাম্প বন্ধের সতর্কবার্তা এদিকে, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ার কারণে যে কোনো সময় সারাদেশের পেট্রল পাম্প বা ফিলিং স্টেশনগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। নিজেদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তারা এই সংকটের কথা সাধারণ মানুষকে অবগত করেছেন।

কবে কাটবে এই সংকট? সংশ্লিষ্টদের মতে, মঙ্গলবার ব্যাংক খোলার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাম্প মালিকরা পে-অর্ডার জমা দেবেন। ফলে বিকেলের পর থেকে সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

সর্বশেষ