ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ি নিহতের প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরান এই বিধ্বংসী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিয়েছেন। ইসরায়েলি জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে যে তেল আবিব এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক নারী নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।


ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় খামেনেয়ি ছাড়াও তাঁর মেয়ে নাতি এবং প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দক্ষিণ ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলায় ১৪৮ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে যাকে ইরান ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে ইরানের এই পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সেনা হতাহত হয়নি। দুবাই বিমানবন্দরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে যেখানে একটি ‘ঘটনায়’ ৪ জন আহত হয়েছেন। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সমাধানের আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।



