ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এক যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হামলায় খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি অলৌকিকভাবে কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে ইসরায়েলের উন্নত ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার মাত্র কয়েক মিনিট আগে কক্ষ থেকে বের হয়ে বাগানে যাওয়ায় মোজতবা খামেনি সরাসরি আঘাত থেকে রক্ষা পান, তবে তিনি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ফাঁস হওয়া একটি অডিও বার্তায় খামেনির কার্যালয়ের প্রটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি জানিয়েছেন, হামলায় মোজতবা বেঁচে গেলেও তার স্ত্রী ও সন্তান এবং খামেনির সামরিক ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ সিরাজি নিহত হয়েছেন।
এদিকে মোজতবা খামেনির বর্তমান অবস্থা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। ইরানের এক অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তা তাঁর বেঁচে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনি হয় মারা গেছেন অথবা গুরুতর আহত অবস্থায় কোমায় রয়েছেন। যদিও এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।



