প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাচ্ছেন তারেক রহমান। আগামী ১০ মে-র মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সফরটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে তিনটি বড় দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
সফরকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি
ঢাকার ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে মোদি সরকার। সফরের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকেও বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
দিল্লি এই সফরকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, তার প্রমাণ মেলে আতিথেয়তার প্রস্তুতিতে। জানা গেছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আদলেই তারেক রহমান ও তার পরিবারকে বরণ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্পের মতো তারেক রহমান ও তার পরিবারের থাকার ব্যবস্থা হচ্ছে দিল্লির বিলাসবহুল পাঁচ তারকা হোটেল ‘আইটিসি মৌর্য’-তে।
সম্পর্কের বরফ গলানোর উদ্যোগ
দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর মতে, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে তার অবসান ঘটাতে চায় ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমানের প্রতি বন্ধুত্বের অনন্য নজির দেখাতে আগ্রহী দিল্লি।
সফরের সময়সূচী
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে নেপাল ও সৌদি আরব যাওয়ার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। শুরুতে চলতি এপ্রিল মাসেই সফরের প্রস্তুতি ছিল, তবে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনের কারণে সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মে-র আগে যেকোনো সুবিধাজনক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হবে এবং শীঘ্রই এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।



