আন্তর্জাতিক বাজারে আরও নিচে নেমে এসেছে সোনার দাম। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর সুদের হার দ্রুত কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সোনায় আগ্রহ হারাচ্ছেন। একইসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকের দিকেও নজর রাখছেন বিশ্ব বাজারের সংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক বাজারের চিত্র
বুধবার (১৩ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পরিবর্তন দেখা যায়:
- স্পট গোল্ড: আউন্স প্রতি ০.৪ শতাংশ কমে ৪,৬৯৪.৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- গোল্ড ফিউচারস (জুন ডেলিভারি): আউন্স প্রতি ৪,৭০২.৪০ ডলারে থিতু হয়েছে।
- অন্যান্য ধাতু: রুপার দাম কমে প্রতি আউন্স ৮৬.৬১ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও কিছুটা কমেছে।
বাজার বিশ্লেষক জিওভান্নি স্তাউনভো জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় অপরিবর্তিত রাখতে পারে, যা স্বর্ণের দামকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আটকে রাখছে।
দেশের বাজারে সোনার দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বর্তমানে যে অবস্থানে রয়েছে:
- ২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২,৪৪,৭১১ টাকা।
- ২১ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২,৩৩,৫৭২ টাকা।
- ১৮ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২,০০,২১৩ টাকা।
- সনাতন পদ্ধতি (প্রতি ভরি): ১,৬৩,০৬৩ টাকা।
পতনের নেপথ্যে কারণ
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সোনার দাম প্রায় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি এবং দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বহাল থাকার আশঙ্কাই এই দরপতনের মূল কারণ। সাধারণত উচ্চ সুদের হার সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যার প্রভাব বর্তমান বাজারে স্পষ্ট।



