সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলোতে উপস্থিত হয়ে নিয়মিত আলোচনায় থাকেন “ভাইরাল সিদ্দিক” নামে পরিচিত এই ব্যক্তি। বিভিন্ন মন্তব্য ও আচরণের জন্য আগে থেকেই বিতর্কে থাকা সিদ্দিক এবার আলোচনায় এসেছেন নিজের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করে। তিনি জানিয়েছেন—জীবনের একটি পর্যায়ে তিনি হিন্দু ছিলেন, পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
এক লাইভ ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমাদের দিনগুলো যেভাবে কাটছে—সুখে নাকি দুঃখে—নিজেই বুঝতে পারি না। আগের স্ত্রী আমাকে ছেড়ে গেছে। আমি একসময় কাফের-মুশরিক ছিলাম, হিন্দু ছিলাম। আল্লাহ আমাকে ঈমানের দৌলত দিয়েছেন।”
কথা বলতে বলতে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এরপর বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, শুধু ঈমান নয়—আল্লাহ আমাকে আলেম হিসেবে কবুল করেছেন। জুনায়েদ আল হাবিবির কাছে সিরাতুল কিতাব শিখেছি, শায়খুল হাদিসের কাছেও কিতাব অধ্যয়ন করেছি।”
রাজপথে তার বিভিন্ন আচরণ নিয়েও আগেই একাধিকবার আলোচনায় আসে সিদ্দিক। চলতি বছরের আগস্টে ধানমণ্ডি ৩২–এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায় তাকে। কখনো তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের নিবেদিত কর্মী হিসেবে দাবি করেন, কখনো বিএনপি–জামায়াত বা এনসিপিকে আক্রমণ করে আলোচনায় আসেন।
একদিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিএনপি-জামায়াতের কোনো ক্ষমতা নেই গোপালগঞ্জের তিনটি আসন শেখ হাসিনার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার। এমন কেউ জন্মায়নি পৃথিবীতে।”
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি আজকের বিএনপি না। যখন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কর্মী ছিলাম।”
আরেক ভিডিওতে তাকে শোনা যায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে বলতে—“ইউনূস, আমি তোমাকে সতর্ক করে বলছি… তুমি কি ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন দেবে?”



