১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়ছে

২২ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা হামলা, খুনোখুনি ও নির্বাচন কার্যালয়ে নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিছু এলাকায় দুর্বৃত্তরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে, ককটেল নিক্ষেপ ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগও দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আগের নির্বাচনে সাধারণত বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়া হতো। কিন্তু এবার নতুন নীতিমালার অধীনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রার্থীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকায় সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা-উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমন ও নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ প্রার্থী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য সীমিত পরিমাণে লাইসেন্স দেওয়া হবে। তবে কেউ আবেদন করলেই দেওয়া হবে, এমনটি নয়। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে আইনের আওতায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসির নির্দেশে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা। নির্বাচনী মাঠে সমন্বয় ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক হলেও ভোটের পরিবেশকে ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। অতীতের হত্যাকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্যক্তিগত অস্ত্রই অনেক সময় সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্সের মেয়াদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ১৫ দিন পর্যন্ত থাকবে এবং এর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।

সর্বশেষ