দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছে স্পেন। তবে কেবল সোনালী ট্রফিই নয়, শিরোপা জয়ের পাশাপাশি এক বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানিও ঘরে তুলছে নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। গত বছরের ডিসেম্বরেই ফিফা এবারের ২৩তম আসরের জন্য রেকর্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি) প্রাইজ ফান্ডের ঘোষণা দিয়েছিল; যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।
চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপদের পকেটে কত?
মেগা ফাইনালে জয়ী দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন স্পেন প্রাইজমানি বাবদ এককভাবে পাচ্ছে ৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬১৬ কোটি টাকারও বেশি! অন্যদিকে, ফাইনালে হেরে গেলেও রানার্সআপ হিসেবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা পাচ্ছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ৪০৬ কোটি টাকা।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানের আয়
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে জয়ী হওয়া ইংল্যান্ড দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)। আর চতুর্থ স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হওয়া ফরাসিরা সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে প্রাইজমানি পাচ্ছে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা)।
কোয়ার্টার ফাইনাল ও পরবর্তী দলগুলোর ভাগ
সর্বশেষ আসরের চেয়ে এবার প্রাইজমানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এবারের আসরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া চার দল—মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার করে। এছাড়া শেষ ১৬ থেকে বিদায় নেওয়া আটটি দলের প্রত্যেকে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং শেষ ৩২ থেকে ছিটকে যাওয়া ১৬টি দলের প্রত্যেকে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার করে প্রাইজমানি বুঝে পাবে।
অংশ নেওয়া ৪৮ দলেরই কোটি কোটি টাকা নিশ্চিত
বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে ফাইনাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৮ দিনের এই মহাযজ্ঞে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের প্রত্যেকের জন্যই অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার আয় নিশ্চিত ছিল। একদম গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া দলগুলো প্রাইজমানি হিসেবে পাচ্ছে ৯০ লাখ ডলার এবং এর পাশাপাশি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি খরচ বাবদ তাদের আরও ১৫ লাখ ডলার করে প্রদান করা হচ্ছে।



