বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে নতুন ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই তা কোনো কারণ না দেখিয়ে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন।
ভারতের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইট ও তথ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পূর্ণ মহড়ার (ফুল রিহার্সাল) কারণে আগামী শনিবার ফোরকোর্টে নিয়মিত ‘চেইঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠান স্থগিত থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম উল্লেখ না থাকলেও এটি তারেক রহমানের বহুল আলোচিত দিল্লি সফরের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখা হচ্ছিল।
তবে হঠাৎ করেই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বার্তা সংস্থা আইএএনএস তাদের সম্পর্কিত এক্স পোস্টটি মুছে ফেলে। বিষয়টিকে ‘অস্বাভাবিক’ আখ্যা দিয়ে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, এটি কোনো প্রক্রিয়াগত ভুল নাকি সময়সূচির পরিবর্তন তা স্পষ্ট নয়।
কূটনৈতিক টানাপড়েন ও মূল ফ্যাক্টর:
- শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দ্রুত ফেরত পাঠানো এবং ভারতে বসে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব পড়েছে।
- হাদী হত্যা মামলার আসামিদের হস্তান্তর: ঢাকা সফরের আগে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরিতে ভারতে অবস্থানরত সন্দেহভাজন খুনিদের হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে।
- সফরের অনিশ্চয়তা: আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে আলোচনা চললেও এই জটিলতায় সফরটি ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।



