লিওনেল মেসি ও ইন্টার মায়ামির এমএলএস কাপ জেতার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। চেজ স্টেডিয়ামে আজ এমএলএস কাপের ফাইনালে ইন্টার মায়ামি ৩–১ গোলে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই ম্যাচে মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করেন এবং প্রথম গোলের নেপথ্য কারিগর হিসেবে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে এমএলএসে যোগ দেওয়ার পর এটি মেসির ক্লাব ও দেশের হয়ে রেকর্ড ৪৭তম ট্রফি। এর আগে প্রথম মৌসুমে লিগস কাপ জিতলেও এবং ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতলেও এবারই প্রথম ইন্টার মায়ামি লিগ চ্যাম্পিয়ন হলো।

ম্যাচ শেষে অ্যাপল টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, “তিন বছর আগে আমি এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ আমরা চ্যাম্পিয়ন। গত বছর লিগ থেকে দ্রুত ছিটকে গিয়েছিলাম। তাই এবার এমএলএস জেতাটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। দলটা অসাধারণ পরিশ্রম করেছে। দীর্ঘ মৌসুমে অনেক ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আমরা প্রস্তুত ছিলাম। এই মুহূর্তটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।”
৩৮ বছর বয়সেও মেসি এই মৌসুমে ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট করেছেন, যা প্লে-অফে মোট ১৫ গোলে অবদান রেখে এমএলএস ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাচেরানো মেসির প্রশংসা করে বলেছেন, “পুরো মৌসুমেই সে ছিল অসাধারণ। শুধু সংখ্যায় নয়, দলের প্রতি দায়বদ্ধতায়ও।”
এই ফাইনাল ম্যাচ দিয়েই মেসির দীর্ঘদিনের দুই বন্ধু ও মায়ামি সতীর্থ জর্দি আলবা ও সের্হিও বুসকেতস অবসর নিয়েছেন। তাদের নিয়ে আবেগাপ্লুত মেসি বলেন, “তারা দুজনই নিজ নিজ পজিশনে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে থাকবে। অসংখ্য শিরোপা জিতেছে। এমএলএস কাপ জিতে বিদায় নেওয়া তাদের জন্য দারুণ।”
আগামী মৌসুমে নতুন মাঠ ‘মায়ামি ফ্রিডম পার্ক’–এ খেলবে মায়ামি। কোচ মাচেরানো জানান, প্রথম লিগ শিরোপা জেতাই শেষ কথা নয়, বরং এটাই নতুন শুরু এবং আরও অনেক কিছু জিততে হবে।



