জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সরকার গঠনের আগেই দেশের পুঁজিবাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। রোববার চার দিনের বিরতি শেষে লেনদেন শুরু হতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বড় উত্থান দেখা গেছে। লেনদেনের প্রথম পাঁচ মিনিটেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স শতাধিক পয়েন্ট বেড়ে যায় এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে যায়। বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক কেনার চাপের মুখে বিক্রেতা সংকটে অধিকাংশ শেয়ারের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। বাজার সংশ্লিষ্টরা একে নির্বাচনী অনিশ্চয়তা কাটার পর এক ধরনের স্বস্তির প্রতিফলন বা রিলিফ র্যালি হিসেবে দেখছেন।
সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইতে ৩৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ডিএসইএক্স ১১১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১১ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ৪০ পয়েন্ট এবং শরিয়াহ্ সূচক ১৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে যেখানে সিএএসপিআই সূচক ১১৯ পয়েন্ট বেড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা এবং নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের আশাবাদ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করেছে। তবে বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দীর্ঘমেয়াদী করতে করপোরেট মুনাফা বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তারা মত দিয়েছেন।


