৪ঠা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কুয়েতে পানি ও তেল শোধনাগারে মিসাইল-ড্রোন হামলা

৩ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েতের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি শোধনাগার ইরানি হামলার শিকার হয়েছে বলে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলা যুদ্ধের ৩৫তম দিনে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলার সম্মুখীন হচ্ছে।

কুয়েতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দুপুরের ঠিক আগে ওই প্ল্যান্টে হামলা চালানো হয়। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা জানিয়েছে, এ হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ভোরে মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে শোধনাগারের বেশ কিছু ‘অপারেশনাল ইউনিটে’ আগুন লেগে যায়। তবে কোনো কর্মী হতাহত হননি।

কুনা আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও অগ্নিনির্বাপক দল পাঠানো হয়েছে।বাতাসের গুণমান পর্যবেক্ষণে পরিবেশ কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার যে গুজব ছড়িয়েছে, কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছে।

এ নিয়ে তৃতীয়বার কুয়েত সিটির শোধনাগারটিতে হামলা হয়েছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার ও স্থানীয় চাহিদার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশটির মানুষ এখন প্রচণ্ড আতঙ্কে ও উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

কুয়েত ইরানের সবচেয়ে কাছের দেশ, ইরানের উপকূল থেকে কুয়েতের দূরত্ব মাত্র ৮০ কিলোমিটার। ফলে ইরানের এ হামলাগুলোর জন্য কুয়েত সবচেয়ে সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কুনা সতর্ক করেছিল, কুয়েতের ওপর ‘মিসাইল ও ড্রোন হামলা’ চলছে। শুক্রবার দেশটিতে সাইরেন ও আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ইরানি মিসাইল প্রতিহত করার খবর পাওয়া গেছে।

কুয়েতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সমুদ্রের লবণাক্ত পানি শোধন করে পাওয়া সুপেয় পানির ওপর নির্ভরশীল। এর আগে ৩০ মার্চ একটি বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগারে হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হন। ইরান এ হামলার দায় অস্বীকার করে এর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছিল।

সর্বশেষ