বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অ্যাডহক কমিটি গঠনকে বেআইনি ও এখতিয়ার বহির্ভূত বলে দাবি করেছেন সদ্য সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি এই নতুন কমিটিকে অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে এনএসসি।
বুলবুলের বিবৃতিতে প্রধান ৩টি পয়েন্ট:
১. গঠনতন্ত্র ও আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘন: আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া এবং একটি অ্যাডহক কমিটি চাপিয়ে দেওয়া বিসিবির গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী এবং সরকারি হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত আইসিসির (ICC) নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন। চরম পরিস্থিতি ছাড়া নির্বাচিত কোনো পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা এনএসসির নেই।”
২. তদন্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন: তিনি আরও দাবি করেন যে, বিসিবির মতো একটি স্বায়ত্তশাসিত ফেডারেশনের সমাপ্ত হয়ে যাওয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া তদন্ত করার কোনো আইনি ক্ষমতা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নেই। তার মতে, প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নির্দেশে শুরু হওয়া এই তদন্ত কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’।
৩. নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার: বিবৃতিতে বুলবুল গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে দুর্নীতি, কারচুপি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের যাবতীয় অভিযোগ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, সেই নির্বাচনটি বিসিবি কর্তৃক গঠিত একটি বৈধ ও তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিসিবিতে এনএসসির এই হস্তক্ষেপের ফলে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে।



