সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। হঠাৎ এ বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কের দুই দিকে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য সম্পূর্ণ থমকে যায় এবং এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ভোররাতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় একত্র হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া তথাকথিত ‘ইউনুসের ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ রায়ের প্রতিবাদে টায়ারে আগুন লাগিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ টহল দল পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত টহল পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় জ্বলন্ত টায়ারে পানি ঢেলে আগুন নেভানো হয় এবং পরে সড়ক থেকে টায়ারের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পতিত আওয়ামী লীগের পলাতক দুই ভাই—সাবেক সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান রাজীব এবং তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সমরের অনুসারীরাই মূলত এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। তাদের কারণে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
মঞ্জুরুল আলম রাজীব তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ওই সময়কার একটি লাইভ ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, সাভারের ফুলবাড়িয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের প্রতিবাদে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগ ‘শাটডাউন কর্মসূচি’ পালন করেছে। লাইভে দেখা যায়, আগুন জ্বালানো টায়ারের চারপাশে নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা হাতে নাচতে নাচতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছেন।
ঘটনা সম্পর্কে পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। থানায় ফোন করা হলেও কেউ কল রিসিভ করেননি। তবে গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।



