১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১০ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির, নিরাপত্তা জোরদার

৩ ডিসেম্বর ২০২৫

আওয়ামী লীগের সরকারের সময় টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলার আসামি ১০ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

সেনা কর্মকর্তাদের হাজির করা উপলক্ষে সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ঘিরে পুলিশ, বিজিবি-র‍্যাব সদস্যরা নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।

টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামি মোট ১৭ জন। আসামিদের মধ্যে গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা হলেন: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কে এম আজাদ; কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে); লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম সুমন ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ এই মামলার সাত আসামি পলাতক। আজ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি হবে।

নতুন ‘গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ’: এদিকে, গুমের দায়ে মৃ’ত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজার বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

এই আইনে গুমের আদেশ বা অনুমতি দানকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা কমান্ডারদেরও সমান সাজার বিধান রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার আগ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির অবস্থান ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ গোপন রাখা যাবে।

সর্বশেষ