‘প্রেমের খেলা কে বুঝিতে পারে, ও বাতাসি…’—গানটি আজও অনেকের মনে দাগ কেটে আছে। প্রেম এমন এক অনুভূতি, যা যুক্তি কিংবা সীমারেখা মানে না। ভালোবাসার টানে মানুষ কখনও সমাজের নিয়ম, কখনও ভৌগোলিক দূরত্ব—সবকিছুকেই উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যায়।
এমনই এক আলোচিত প্রেমকাহিনির জন্ম দিয়েছেন রাশিয়ার তরুণী ইসাবেল ও ভারতের ব্যবসায়ী জাহিদ আলি খান। ইসাবেলের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দেখাতেই জাহিদের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। সময়ের সঙ্গে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সেই ভালোবাসাকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন এই যুগল।
ইসাবেল দাবি করেন, জাহিদের ব্যক্তিত্বই তাকে সবচেয়ে বেশি টেনেছিল। ভালোবাসার টানে তিনি নিজের দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। দৈহিক উচ্চতায় জাহিদ তুলনামূলক খাটো হলেও, ইসাবেলের কাছে সেটি কখনোই কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তাদের সম্পর্কে পারস্পরিক সম্মান ও আবেগই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সম্পর্ক ঘিরে চলছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক। অনেকেই ইসাবেলের বক্তব্যে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, জাহিদের বিপুল সম্পদের দিকেই ইসাবেলের আকর্ষণ বেশি। উল্লেখ্য, উত্তরাধিকার সূত্রে জাহিদ প্রায় ৭৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার সমান।
আবার অনেকে এই সম্পর্ককে নিখাদ ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবেও দেখছেন। ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম কিংবা সামাজিক পার্থক্য—কোনো কিছুই যে মনের বন্ধনকে আলাদা করতে পারেনি, সেটিই তাদের কাছে এই প্রেমের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
যদিও এই প্রেমকাহিনি নতুন নয়, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবারও ভাইরাল হয়েছে। কারও চোখে এটি রূপকথার গল্প, কারও চোখে প্রশ্নবিদ্ধ সম্পর্ক। তবে সত্য যাই হোক, ইসাবেল ও জাহিদের সম্পর্ক যে মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে, তা বলাই বাহুল্য।
শেষ পর্যন্ত সময়ই বলে দেবে—এই ভালোবাসার গল্প কতদূর পথ পাড়ি দেয়।



