১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রেকর্ড পতনের পর আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে বড় ধরনের পতনের পর আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা না কাটা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে এই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৮৩.৪২ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজার মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১.১২ ডলারে উঠেছে।

এর আগে সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন ঘটে। সে সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৩.৭০ ডলারে নেমে এসেছিল।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নিয়ে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে—তা নিয়েও বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। মূলত এই কারণেই তেলের বাজারে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নথিতে ট্রাম্পের পাশাপাশি স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই নথিতে স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন, যাতে এই শান্তি প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে তার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রকাশ পায়।

সর্বশেষ