সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের একটি ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অপপ্রচারের মুখে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ঘটনার আসল ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এটি তাঁর পারিবারিক বিরোধ ও ব্লাকমেইলের অংশ। সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে তাঁর ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তা ভাইরাল করা হয়েছে।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে শ্যালক মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে অবস্থানকালে তাঁর ব্যবহৃত ভাড়া গাড়ির চালক এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর ওবায়দুল্লাহ ৫-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে ওই কক্ষে প্রবেশ করেন এবং তাঁদের জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করেন।
গাজী নজরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তী সময়ে ওবায়দুল্লাহ গাড়িটি আটকে রেখে কয়েক লাখ টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে নানা ধরনের হুমকি দেয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোতেই ওবায়দুল্লাহ তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বলে এটিকে প্রচার করা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি স্পষ্ট করেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতিতে মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।



