মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
রায়ের পর ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণকে ঘিরে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি নিরাপত্তা জোরদার করেছে। প্রবেশপথে পরিচয় যাচাই ছাড়াই কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়েছে।
অভিযোগ ও ঘটনা
- অভিযোগ ১:
- ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে আন্দোলনকারীদের “রাজাকার” বলার উসকানি।
- ওই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ।
- রংপুরে আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা।
- অভিযোগ ২:
- ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনা ও ফজলে নূর তাপস, হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপে আন্দোলনকারীদের অবস্থান নির্ণয় ও হেলিকপ্টার ও মারণাস্ত্র ব্যবহার করে হত্যা নির্দেশ।
- একই বছরের ৫ আগস্ট চানখারপুলে ছয়জন, আশুলিয়ায় ছয়জন হত্যার ঘটনা।
ফলাফল ও নির্দেশনা
- উভয় অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ।
- চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।
- ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাজেয়াপ্ত সম্পদ জুলাইয়ে বিতরণ করা হবে।
বিচারিক প্যানেল
- চেয়ারম্যান: বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার
- সদস্যরা: বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী



