টানা ১৫ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় লন্ডনে নেওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, তা আপাতত স্থগিত করেছে মেডিকেল বোর্ড। এখন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই দেশি–বিদেশি চিকিৎসকদের ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে চলছে পুরো চিকিৎসাপ্রক্রিয়া। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফেরা পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ তদারকি করছেন।
এভারকেয়ার হাসপাতাল এখন সবার নজরকেন্দ্র। দীর্ঘসময় ধরে সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁকে দেখতে প্রতিদিনই অনেকে হাসপাতালের সামনে জড়ো হচ্ছেন। সাধারণ রোগীরা যাতে কোনো অসুবিধায় না পড়েন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত নজরদারিও রয়েছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) লন্ডনে নেওয়ার সম্ভাব্য শেষ তারিখ ছিল। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এখনই বিদেশে নেওয়া হচ্ছে না তাঁকে। সাম্প্রতিক এন্ডোস্কোপির পর পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ বন্ধ হলেও তাঁর সামগ্রিক শারীরিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া বহুদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও চক্ষুর জটিল রোগের সমস্যায় ভুগছেন। তিনি গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন।
এদিকে তাঁর সুস্থতার জন্য দেশজুড়ে দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন চলছে। সকালে পল্টনের ভাসানী মিলনায়তনে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রীদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।


