১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে নতুন সেইফ হাউজের সন্ধান দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

৯ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শ’হীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হ’ত্যা মামলায় মানবতাবিরোধী অ’পরাধের মামলায় জবানবন্দি দেওয়ার সময় নতুন এক ‘সেইফ হাউজের’ সন্ধান দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অ’পরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনি এই জবানবন্দি দেন। এই মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জন আ’সামি রয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সারা বাংলাদেশে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা। ওই দিন রংপুরে আবু সাঈদকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয় এবং চট্টগ্রামে ওয়াসিমকে হ’ত্যা করে ছাত্রলীগ। এর প্রতিক্রিয়ায় ১৭ জুলাই গায়েবানা জানাজা করতে গেলে গোয়েন্দা সংস্থা চাপ দেয়। সেই রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি বলেন, “বৈঠক করাতে ব্যর্থ হয়ে আমাদের মৎস্য ভবনের সামনে সেইফ হাউজে নেওয়া হয়। মৎস্য ভবন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মধ্যে একটা ঘর আছে বাইরে থেকে পরিত্যক্ত মনে হয়। কিন্তু ভেতরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা ছবি রয়েছে। যেটাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা এজেন্সির ভাষায় সেইফ হাউজ নামে ডাকা হয়।” সেখানে রাতভর জি’জ্ঞাসাবাদ করা হয়, চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং পরিবারকে জি’ম্মি করে বৈঠকে বসার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তবে তারা রাজি হননি।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা থেকে হাসনাত আবদুল্লাহর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় এবং দুপুর দেড়টায় বিরতি দেওয়া হয়। দুপুর আড়াইটায় অবশিষ্ট সাক্ষ্য দেবেন জুলাই আন্দোলনের এই সমন্বয়ক।

সর্বশেষ