ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্রশিবির কোনো শিক্ষার্থীকে পথভ্রষ্ট হতে দেয় না। সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের লুকায়িত মেধা ও প্রতিভা বিকশিত করার মাধ্যমে তাদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সহায়তা করছে।
১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মেধা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছে ছাত্রশিবির, যা আজ দেশের অন্যতম প্রধান ছাত্র সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে ছাত্রশিবিরকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে, কিন্তু সেগুলো কোনো প্রভাব ফেলেনি। তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। ডাকসু, জাকসু, রাকসু ও চকসুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীরা ইসলামের পতাকাতলে একত্রিত হলে, এসব অপপ্রচার ব্যর্থ হবে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “আমরা আপনাদের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরার চেষ্টা করছি। সেটা পালন করা বা না করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া শিক্ষার্থীদের উপর নির্ভর করছে।”
গতকাল মঙ্গলবার ভোলা সরকারি কলেজে শাখা ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে জাহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ভোলা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান হোসাইন নাবিল অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল গনি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন।



