দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট বন্ধে ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। তবে এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর ব্যবহারকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কারো কোনো অবৈধ বা ক্লোন করা ফোন বন্ধ হবে না।
ফয়েজ তৈয়্যব জানান, বর্তমানে এনইআইআর সিস্টেমে অপারেটরদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল পরিমাণ ঐতিহাসিক তথ্য (Historic Data) যুক্ত করা হয়েছে। এই কারণে অনেক ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে বর্তমানে ব্যবহৃত ফোনের চেয়ে অনেক বেশি হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। বিটিআরসি এবং মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং দ্রুতই শুধুমাত্র বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের তালিকা প্রদর্শিত হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একজনের এনআইডির বিপরীতে আগে ২০টি বা ১৫টি সিম ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও বর্তমানে তা ১০টিতে নামিয়ে আনা হচ্ছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে গ্রাহকরা জানতে পারবেন তাদের এনআইডি ব্যবহার করে কোনো আর্থিক অপরাধ বা অনলাইন জুয়ার মতো কাজ হচ্ছে কি না। ডাটাবেজ নিরাপদ রাখতে বাড়তি নিরাপত্তা স্তর যুক্ত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তন চলাকালীন সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।



