১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এনআইডি কার্ড ছাড়াই কি ভোট দেওয়া যাবে? যা জানা জরুরি

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রচার-প্রচারণা শেষে এখন দেশজুড়ে বইছে ভোটের আমেজ। তবে ভোটারদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভোট দিতে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক?

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এনআইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে। অনেকের ধারণা এনআইডি ছাড়া ভোট দেওয়া সম্ভব নয়, যা সঠিক নয়। মূল বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় থাকতে হবে। পোলিং অফিসার ভোটার তালিকায় থাকা নাম ও ছবি মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেই ব্যালট পেপার প্রদান করবেন।


ভোটার তথ্য জানার ডিজিটাল মাধ্যম

ভোটদান প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে ভোটারদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর আগে থেকেই জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যগুলো জানার উপায়সমূহ:

  • মোবাইল অ্যাপ: গুগল প্লে-স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
  • এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC <Space> NID Number লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।
  • হটলাইন: ১০৫ নম্বরে কল করে ৯ চাপলে সরাসরি অপারেটরের মাধ্যমে ভোটার তথ্য জানা যাবে।

ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার নিয়ম

এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সনাতন পদ্ধতিতে কাগজের ব্যালট ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে। ভোট বাতিল এড়াতে নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করা জরুরি:

১. সিল নিশ্চিত করা: ব্যালট পেপারের পেছনে প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর ও সিল আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে। ২. সঠিকভাবে ভাঁজ করা: সিল দেওয়ার পর ব্যালটটি এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন সিলের কালি অন্য প্রতীকের ওপর না লাগে। ৩. ব্যালট বাক্সে প্রদান: ভাঁজ করা ব্যালট পেপার নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে এবং ভোটদান শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা সচেতনতা ও নিয়ম মেনে ভোটদানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ