১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্কে জড়ানোর কারণ জানালেন ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মণ: ‘গুরুজনের মতো ব্যবহার আশা করেছিলাম’

৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের ইনচার্জ ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মণ হাসপাতাল পরিদর্শনে আসা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবু জাফরের সঙ্গে তর্কে জড়ানোর কারণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ডিজি এসে কী কী সমস্যা, সেগুলো জানতে না চেয়ে ভেতরে কেন টেবিল, এ নিয়ে কথা বলেন। তিনি ডিজির কাছ থেকে গুরুজনের মতো ব্যবহার আশা করেছিলেন।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মণ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আমরা সবসময় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকি যে কোনো দুর্ঘটনা যেন না ঘটে। আমি খুব সুষ্ঠুভাবেই পরিচালনা করছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমি তিনবার উনাকে নাম বলার পরেও উনি আমাকে মানে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যভাবে বলছেন।” তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার কিন্তু চাকরি বেশিদিন নাই। আর এক বছর পরেই আমি পিআরএলে চলে যাব।”

ডা. ধনদেব বলেন, “আমি অনেক সিনিয়র ২০১৩-তে আমি এমএস করছি, আমাকে ২০২৫-এ সহকারী অধ্যাপক বানাইলো।…এই যে প্রেক্ষাপট এটার জন্য দায়ী আমি মনে করি কর্তৃপক্ষের অবহেলা। মানে আমাদের এরকম আরো ম্যানপাওয়ার আছে যেগুলো আমরা কাজে লাগাইতে ব্যর্থ।” তিনি দুর্নীতি এবং সঠিক লোককে সঠিক জায়গায় নিয়োগ না দেওয়ার সমালোচনা করে বলেন, “স্বাস্থ্য সেবাটা পুরাটাই একটা উদ্ভট উটের পিঠে চলতেছে।”

তিনি জানান, এসব দেখে তিনি খুব ত্যক্ত বিরক্ত এবং সরকারি চাকরি করতে চান না। তিনি বলেন, “আমি সাসপেনশন চাই।…উনি এসে বলতো আপনার কি কি দরকার তাহলে আমি বলতাম যে স্যার আমাদের এরকম আরো দরকার।”

এর আগে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজির সঙ্গে তর্কে জড়ানোর অভিযোগে ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মণকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ক্যাজুয়ালটি ইনচার্জের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ