জনগণ ভোটে সমর্থন দিলে সবার অধিকার রক্ষা করা হবে—বিশেষ করে নারীর অধিকার ও নাগরিক মর্যাদা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহকে সবাই রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দিলেও এর আইনগত বৈধতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই গণভোট জরুরি বলে তিনি মত দেন এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই তা আয়োজনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নামের সঙ্গে ‘ইসলাম’ যুক্ত থাকায় অনেকেই মনে করেন দলটি অধিকার সীমিত করে দেয়। কিন্তু ইসলামে নারী অধিকারসহ সকল নাগরিকের মর্যাদা রক্ষার নির্দেশনা রয়েছে। ইসলামী বিধান কার্যকর হলে ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার নিশ্চিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দলের আমিরের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সংখ্যাগুরু–সংখ্যালঘুতে ভাগ করার ধারণায় জামায়াত বিশ্বাস করে না। জনগণের সমর্থন পেলে দলটি সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায়, আর নারীর অধিকার ও নাগরিকদের সম্মান অগ্রাধিকার পাবে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত প্রতিশোধমূলক রাজনীতিতে নয়, ন্যায়–ভিত্তিক রাজনীতিতে আস্থা রাখে। তিনি সম্প্রীতির ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের মহাসচিব ইকবাল হাসান স্বপন, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক মিয়া, সেলিম পারভেজ, আবুল বাশার ও চেয়ারম্যান ছাবের আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।



