মহাজাগতিক ও চন্দ্র পঞ্জিকার বিশেষ বিন্যাসের কারণে ২০৩৯ সালে মুসলিম বিশ্ব উদযাপন করবে তিনটি ঈদ। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সৌদি আরবের জলবায়ু ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল্লাহ আল মিসনাদ। খবর প্রকাশ
পবিত্র মাহে রমজান মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতে মুহাম্মদির জন্য এক বিশেষ উপহার। রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত বরকতময় হলেও জুমাবার মুসলমানদের কাছে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে। ইসলামের দৃষ্টিতে জুমাবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ
বাতাসে রমজানের মিষ্টি গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে যা আমাদের মাঝে পবিত্রতার বার্তা নিয়ে এসেছে। আরবি হিজরি সনের নবম মাস এই পবিত্র রমজান। অন্যান্য মাসের চেয়ে এই মাসের ফজিলত ও মর্যাদা অনেক
বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে রোজা শুরু হচ্ছে ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে। বুধবার সন্ধ্যায় দেশ দুটির
চাঁদ দেখা ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের পার্থক্যের কারণে চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান মাস শুরুর তারিখে সামান্য তারতম্য দেখা যেতে পারে। কোথাও রমজান শুরু হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি, আবার কিছু
আসন্ন শীত মৌসুমেই পবিত্র রমজান মাস পালন করবেন সৌদি আরবের মুসলমানরা। এর ফলে চলতি বছর দেশটিতে রোজার সময় আগের তুলনায় কিছুটা কম হবে। জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবে এবারের রমজানে
পবিত্র নগরী মক্কার হিরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত দ্য হলি কোরআন মিউজিয়ামে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে পবিত্র কোরআনের একটি অত্যন্ত বিরল ও মূল্যবান পাণ্ডুলিপি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতে লেখা এই কপিটির
রমজান মাসে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়—এ বিষয়টি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তা সত্ত্বেও বাস্তবে দেখা যায়, এই পবিত্র মাসেও অনেক মানুষ গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—যদি শয়তান
চলতি বছরে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে। সে হিসাবে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যথারীতি চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই রমজান ও
রমজান এলেই অনেকের মনে ইবাদত বাড়ানোর দৃঢ় সংকল্প তৈরি হয়। তবে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পনার অভাবে অনেক সময় সেই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয় না। তাই রমজান শুরু হওয়ার আগেই